লগ আউট
Are you sure you want to exist?

মোমেন্টাম ট্রেডিং কৌশল ব্যবহারে নতুনদের জন্য 5টি টিপস

যারা কখনো মোমেন্টাম ট্রেডিং কৌশল ব্যবহার করেছেন, তারা এর সঙ্গে জড়িত ঝুঁকি সম্পর্কে ভালোভাবেই জানেন। একই সঙ্গে, এই কৌশলগুলো ট্রেডারদের সম্ভাব্য মুনাফার সুযোগ থাকতে পারে এমন নির্দিষ্ট খাত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

None

মোমেন্টাম ট্রেডিং অনুসরণকারীরা ETF ও স্টকে ট্রেড করার সময় সামান্যতম সুযোগ কাজে লাগাতে এবং ঊর্ধ্বমুখী ও নিম্নমুখী—উভয় ট্রেন্ড থেকেই সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে চেষ্টা করেন। ট্রেডিংয়ের একটি পুরোনো কথা আছে, “ট্রেন্ডই আপনার বন্ধু”। ট্রেন্ডের সঙ্গে এগোনোর সুযোগই আমরা সবাই খুঁজি। মোমেন্টাম ট্রেডিং সেই চালিকাশক্তি হতে পারে, যা ট্রেন্ডকে একই দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

আজ আমরা মোমেন্টাম ট্রেডিং কৌশল ব্যবহারের কয়েকটি সহজ উপায় দেখাব, যার জন্য বিশেষ দক্ষতা বা পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।

মোমেন্টাম ট্রেডিংয়ের টিপস #1 - সর্বোচ্চ দামগুলো নজরে রাখুন

এই নির্দিষ্ট কৌশলটি ব্যবহার করার সময় যেসব স্টক ও ETF-এর দাম বাড়ছে, সেগুলো খুঁজে দেখুন। এমন একটি ট্রেন্ড শনাক্ত করতে হবে, যা দিনের পর দিন এবং সপ্তাহের পর সপ্তাহ একই দিকে এগোয়। কিছু ক্ষেত্রে, কোনো বিরতি ছাড়াই এটি কয়েক মাস বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।

নতুন সর্বোচ্চ দামে পৌঁছানো বাজারে প্রবেশ করতে কেউ কেউ ভয় পেলেও, মোমেন্টাম ট্রেডার হিসেবে আপনাকে এমন সুযোগ খুঁজতে হবে। এ ক্ষেত্রে ট্রেন্ড বা দামের নতুন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পক্ষে অতিরিক্ত নিশ্চিতকরণ ও প্রমাণ প্রয়োজন।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

মোমেন্টাম ট্রেডিংয়ের টিপস #2 – ভোলাটিলিটির দিকে নজর রাখুন

মোমেন্টাম ট্রেডিং কৌশল প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রেড তুলনামূলক বেশি ভোলাটিলিটির সময় করতে হবে। এই কৌশলের মূল ধারণা হলো, বাজারের ভোলাটিলিটি বাড়লে তা থেকে মুনাফা করার চেষ্টা করা। আপনার শর্ট ও লং অর্ডারের সময় ঠিকভাবে নির্ধারণ করতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে বিভিন্ন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার টুল ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে স্টপ-লস অর্ডার।

মোমেন্টাম ট্রেডিংয়ের টিপস #3 – দামের ট্রেন্ড খুঁজুন

ট্রেডাররা ট্রেন্ড শনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন। আপনি যদি সাধারণত ETF ও স্টকে ট্রেড করেন, তাহলে 52 সপ্তাহের সর্বোচ্চ দামের 10% সীমার মধ্যে সম্পদটি কতটা ট্রেড হয়েছে, তা ব্যবহার করতে পারেন। আরেকটি উপায় হলো, গত 12-24 সপ্তাহে এই হার কীভাবে বদলেছে তা দেখা। সাম্প্রতিক দামের ওঠানামা শনাক্ত করতে দুটি পদ্ধতিই বেশ সংবেদনশীল ও নির্ভুল।

কিছু ট্রেডার অপেক্ষাকৃত ছোট টাইমফ্রেমের ওপর নির্ভর করেন। দামের ট্রেন্ড ও পরিবর্তনশীল উপাদান খুঁজতে তাঁরা স্বল্প সময়সীমা ব্যবহার করেন। উদাহরণস্বরূপ, আগে উল্লেখ করা 12 বা 24 সপ্তাহের পরিবর্তনের বদলে তাঁরা 1-4 সপ্তাহের পরিবর্তন বিবেচনা করেন। তবে এর ফলে আপনি যে নির্দিষ্ট সম্পদে ট্রেড করছেন, সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে হতে পারে।

মোমেন্টাম ট্রেডিংয়ের টিপস #4 – সেরা সেক্টরগুলো শনাক্ত করুন

সফল মোমেন্টাম ট্রেডার হতে চাইলে, যত দ্রুত সম্ভব সেরা সেক্টর শনাক্ত করার কিছু প্রমাণিত উপায় শিখতে হবে। শুধু দ্রুত হওয়াই নয়, নির্ভুল হওয়াও জরুরি। এ ক্ষেত্রে নিচের ধাপগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে:

  1. আপনার আগ্রহের ট্রেডিং অ্যাসেটটি শনাক্ত করুন। এটি স্টক বা ETF হতে পারে।
  2. এরপরের ধাপে, বছরের সর্বোচ্চ দামের কাছাকাছি সময়ে সম্পদটির ট্রেড হওয়া ভলিউম হিসাব করুন।
  3. কোনটি ভালো করছে তা দেখতে এগুলোকে “কম” ও “বেশি”—এই দুই বিভাগে ভাগ করুন।
  4. বাজারে প্রবেশের কৌশল ঠিক করুন। কোনো সম্পদ অল্প সময়ের জন্য শক্তিশালী থাকবে বলে মনে হলে, ট্রেডাররা পুলব্যাকের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। এতে সম্পদটির দাম দুর্বল হলে বাজারের অংশগ্রহণকারীরা সেটি কিনতে পারেন।
  5. বাজার থেকে বেরিয়ে আসার কৌশল ঠিক করুন। ট্রেডে প্রবেশের আগে, কোন পর্যায়ে আপনি মুনাফা করবেন এবং কী পরিস্থিতিতে লোকসান নিয়ে বাজার থেকে বেরিয়ে আসবেন, তা স্পষ্ট করে নিন।

মোমেন্টাম ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি

আপনার স্পষ্টভাবে বুঝে নেওয়া উচিত যে মোমেন্টাম ট্রেডিংয়ে যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। ট্রেডাররা সাধারণত সাম্প্রতিক কেনাকাটার ডেটার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন।  কেনার চাপ দাম বাড়াবে—এমন নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। নতুন ক্রেতাদের কেনার চাপকে আগে থেকে খোলা পজিশনের মুনাফা তুলে নেওয়ার চাপ ছাপিয়ে যেতে পারে। এতে দাম অনিবার্যভাবে নিচে নেমে যেতে পারে। 

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।