লগ আউট
Are you sure you want to exist?

পর্যালোচিত সেরা বিনামূল্যের ট্রেডিং সফটওয়্যার

বিনামূল্যের ট্রেডিং সফটওয়্যার খুঁজতে গেলে আপনি হয়তো এমন সফটওয়্যার চাইবেন, যা ব্যবহারবান্ধব ও সহজে ব্যবহার করা যায়। বেশির ভাগ ব্যবহারকারীই শেখার ঝামেলায় জড়াতে চান না। তারা আশা করেন, শেয়ার ট্রেডিং সফটওয়্যারটি হবে সহজবোধ্য। পাশাপাশি, ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে সফটওয়্যারটি তাদের ব্যক্তিগত চাহিদা ও পছন্দ পূরণ করবে বলেও তারা চান।

None

যারা ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন ব্যবহার করে শেয়ার ট্রেড করতে পছন্দ করেন, তারা আমাদের বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা করা সেরা কয়েকটি সফটওয়্যার পছন্দ করতে পারেন। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে সহজ ও দ্রুত ইন্টিগ্রেশনের সুবিধা রয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এর মধ্যে কিছু টুল বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। বাজারে থাকা সেরা শেয়ার ট্রেডিং সফটওয়্যারগুলোর কয়েকটি দেখে নেওয়া যাক।

1. TradingView – ডে ট্রেডারদের জন্য সফটওয়্যার

এই প্ল্যাটফর্মটি ডে ট্রেডারদের চাহিদা পূরণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এতে 1 থেকে 15 মিনিটের স্বল্প সময়সীমা রয়েছে। এই বিনামূল্যের ট্রেডিং সফটওয়্যার দিয়ে অ্যালার্ট সেট করার সুবিধাই এর প্রধান সুবিধা। এ ছাড়া, এতে শক্তিশালী সোশ্যাল মিডিয়া ফিচারও রয়েছে।

আরেকটি সুবিধা হলো, TradingView-এ একই সময়ে একাধিক চার্ট তুলনা করা যায়। প্ল্যাটফর্মটিতে শুরুতে একটি ফ্রিমিয়াম প্ল্যান রয়েছে। পেইড সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে আরও বিস্তারিত ফিচার ও ট্রেডিং সুবিধা যোগ করে টুলকিটটি আরও সমৃদ্ধ করা যায়।

2. StockCharts – সাশ্রয়ী মূল্যের কার্যকর সফটওয়্যার

অভিজ্ঞ ট্রেডারদের কাছে সফটওয়্যারটি বেশ সাধারণ মনে হতে পারে। তবে নতুনরা এটিকে খুবই কাজে লাগবে বলে মনে করবেন। এই প্ল্যাটফর্মে ক্যান্ডেলস্টিক অথবা লাইন ও বার চার্ট তৈরি করা যায়। বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে 30 বছরের ডেটা দেখা যায়।

আরও তথ্যের প্রয়োজন হলে, পেইড প্ল্যানগুলোতে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন। একমাত্র অসুবিধা হলো, ইন্ট্রাডে চার্ট ব্যবহার করতে চাইলে পেইড সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

3. Yahoo! Finance – সহজ ও নান্দনিক ফিচার

ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন ব্যবহারকারী ট্রেডারদের জন্য এই প্ল্যাটফর্মটি একটি প্রাথমিক টুল হিসেবে কাজ করে। বিভিন্ন চার্ট ফিল্টার করতে ব্যবহারকারীদের সাহায্য করার জন্য এতে নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত ইন্ডিকেটরভিত্তিক নানা ফিচার রয়েছে। এ ছাড়া, গত 5 বছরের শেয়ারের দামের ওঠানামা পর্যালোচনা করা যায় এবং একই সময়ের বিভিন্ন প্যাটার্ন ও চার্ট তুলনা করা যায়।

4. Google Finance – নতুনদের জন্য আদর্শ

এটি একটি সহজবোধ্য ও ব্যবহারবান্ধব টুল। আপনি আগে Google Suite ব্যবহার করে থাকলে, এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা সহজ মনে হবে। এতে ফিচারের বিশাল সম্ভার না থাকলেও, সহজে নেভিগেট করা যায় এমন ইন্টারফেস এবং কয়েকটি প্রাথমিক চার্ট ও প্যাটার্ন ফিচারের কারণে এটি নতুন ট্রেডারদের জন্য বেশ উপযোগী।

5. BigCharts.com – সুপরিচিত শেয়ার ট্রেডিং সফটওয়্যার

এই টুলটি দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা শেয়ার ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি বলে মনে হয়। এতে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত ইন্ডিকেটর ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি, ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধরনের চার্টও উপভোগ করবেন। ইন্ট্রাডে ট্রেডাররা 1 থেকে 60 মিনিটের ইন্ট্রাডে চার্ট তৈরি করার জন্য বিস্তৃত সময়সীমা পছন্দ করবেন।

এর ফলে ট্রেডিং আরও নমনীয় হয়, বিশেষ করে আপনি যদি price action দেখতে চান। আরও সুবিধার মধ্যে রয়েছে 1970-এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিস্তৃত ঐতিহাসিক ডেটা, যেখানে শীর্ষস্থানীয় ও দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করা কোম্পানিগুলো সম্পর্কে প্রচুর তথ্য রয়েছে।

6. FreeStockCharts.com – বিনামূল্যের ট্রেডিং সফটওয়্যার

প্ল্যাটফর্মটির দাবি, ট্রেডারদের কৌশল যাই হোক না কেন, এটি একটি নমনীয় সমাধান। ইন্ট্রাডে চার্টের পাশাপাশি, এখানে সাপ্তাহিক, মাসিক বা এমনকি বার্ষিক প্যাটার্নও তৈরি করা যায়। ডেটা ফিল্টার করার জন্য ব্যবহারকারীরা 80টি প্রযুক্তিগত ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে পারেন। চার্টগুলো “পছন্দের” বিভাগে সংরক্ষণ করলে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ও সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।

স্টক ট্রেডিং সফটওয়্যার বেছে নেওয়ার সময় যেসব বিষয় বিবেচনা করবেন

ওয়েবে এত বিকল্পের মধ্যে বিনামূল্যের ট্রেডিং সফটওয়্যার বেছে নেওয়া কঠিন মনে হতে পারে। তবে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার ট্রেডিং কৌশলের সঙ্গে মানানসই সফটওয়্যারটি বেছে নিতে সাহায্য করবে:

  • পরিষ্কার চার্ট – জটিল প্যাটার্ন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। লেআউটগুলো সহজে পড়া যায় কি না, তা নিশ্চিত করুন। এগুলোতে স্টকের দামের ওঠানামার একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া উচিত।
  • ব্যবহারযোগ্যতা – ইন্টারফেসটি ব্যবহারবান্ধব ও সহজবোধ্য হতে হবে। পাশাপাশি, সর্বোচ্চ নমনীয়তার জন্য অন্যান্য টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটরের সঙ্গে এটি যুক্ত করার সুযোগও আপনার প্রয়োজন হতে পারে।
  • দাম – বিনামূল্যের ট্রেডিং সফটওয়্যার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় জটিল হতে পারে। প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে শুধু কিছু মৌলিক ফিচার থাকে। আরও বিস্তারিত বাজার-সংক্রান্ত বিশ্লেষণ পেতে আপনাকে অর্থ দিতে হবে। সৌভাগ্যক্রমে, বেশিরভাগ স্টক ট্রেডিং সফটওয়্যার প্রদানকারী ফ্রিমিয়াম মডেল অফার করে, যেখানে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে যথেষ্ট ফিচার ও টুলকিট থাকে।

সারসংক্ষেপ

বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এমন নানা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ও স্টক ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের কারণে অনলাইন ট্রেডিং ক্রমেই ব্যবহারকারীর চাহিদাকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। আপনি যদি চার্ট ও প্যাটার্ন দেখে ট্রেড করতে পছন্দ করেন, তাহলে ওপরের তালিকায় আপনার পছন্দের কিছু বিকল্প নিশ্চয়ই পাবেন। তবে, একটি প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। বিভিন্ন টেকনিক্যাল সমাধান ব্যবহার করে আপনার ট্রেডিংয়ের সরঞ্জামের পরিসর বাড়ান, অথবা সবচেয়ে উদ্ভাবনী ও উন্নত স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিংয়ের নতুন উদ্ভাবনগুলোর মধ্যে থেকে বেছে নিন।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।