
সাম্প্রতিক 11টি স্পট BTC ETF অনুমোদন সত্ত্বেও বিটকয়েনের দাম 14% কমেছে। বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস, প্রধান এই ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম $15,000-এ নেমে আরও বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
Bitcoin ETF অনুমোদনের ঘোষণা আসার মাত্র 2 সপ্তাহ পরই এখন লাখ লাখ ডলারের অর্থপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে। মন্দার আশঙ্কা বাড়ার কারণেও বাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, ব্যবস্থাপনাধীন সম্পদের (AUM) পরিমাণে সিলভার ETF-কে ছাড়িয়ে গেছে Bitcoin ETF, ফলে Bitcoin-এর চেয়ে এগিয়ে থাকা একমাত্র ধাতু এখন Gold। বর্তমানে Spot BTC ETF-এর AUM প্রায় $25 billion, যেখানে সিলভার ETF-গুলোর সম্পদের পরিমাণ $11.5 billion।
ফলে, BTC ETF অনুমোদনের মাধ্যমে আরও বেশি সাধারণ বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে, প্রায় $49,000-এর সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে বড় ধরনের বিপরীতমুখী পতনের মুখে পড়েছে অ্যাসেটটির দাম। ক্রিপ্টো ETF-এ রূপান্তরিত হওয়ার পর থেকে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি ফান্ড ও প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে এ কারণেই কয়েক বিলিয়ন ডলার বেরিয়ে গেছে।



বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টো ফান্ড GBTC থেকে প্রায় $4.8 বিলিয়ন অর্থ বেরিয়ে গেছে। ফান্ডটি বর্তমানে বিপুল ছাড়ে BTC বিক্রি করছে, যা বাজারকে নিম্নমুখী করছে। বাজারে বড় ধরনের বিক্রির চাপ আগামী কয়েক সপ্তাহে সম্পদের দাম ভারসাম্যে আনতে সাহায্য করতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা শীর্ষ ক্রিপ্টোকারেন্সিটির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন নতুন ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করছেন।
বিনিয়োগকারীরা আরও সতর্ক হয়ে উঠলে, বিক্রির চাপ স্পট Bitcoin ETF-এ অর্থপ্রবাহের জন্য আরও বাধা তৈরি করতে পারে। কিছু বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন, Bitcoin আবারও কমতে পারে। তাঁদের ধারণা, শেয়ারবাজার 50% কমে গেলে Bitcoin $15,000-এর স্তর পরীক্ষা করবে।
Dow ও S&P 500 নতুন সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং Nasdaq রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি ট্রেড করছে। ফলে এ বছর এখন পর্যন্ত শেয়ারবাজার ভালো করেছে। তবে, বিটকয়েনের অতীত ট্রেডিংয়ের প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাজার সম্ভবত সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!