
মনে হচ্ছে, 2023 সালের শুরুতে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি 18% ছাড়িয়ে যাওয়া ঠেকানোর মতো কিছুই নেই। জ্বালানির বিল আকাশছোঁয়া হওয়ায়, কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতে জানুয়ারিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই, বাজার পড়তে থাকলে কীভাবে ট্রেড করতে হয়, তা জেনে নেওয়ার এখনই সময়।
CPI বিশেষজ্ঞদের ধারণা, 2023 সালের শুরুতে যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি 18% ছাড়িয়ে যাবে। তাদের পূর্বাভাস, এটি 18.3%-এ পৌঁছাবে। অন্যদিকে, অন্যান্য বিশেষজ্ঞের বিশ্বাস, মুদ্রাস্ফীতি আরও বেড়ে 20% ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর বৃদ্ধির গতি বিবেচনায় নিলে (গত মাসে তা 10%-এ পৌঁছেছিল, যা গত 4 দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ হার)।
এদিকে, আরও ইতিবাচক পূর্বাভাস দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। কর্মকর্তারা বলছেন, অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি 13%-এ পৌঁছাবে, তারপর কমবে।



বাস্তবে, জ্বালানির বিল দ্রুত বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতি কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই ঊর্ধ্বগতি শুধু UK-র শেয়ারহোল্ডারদেরই নয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম যথাক্রমে 25% ও 7% বাড়বে।
সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, নাইটক্লাব ও পাবের প্রায় 60% বন্ধ হয়ে যেতে পারে, কারণ ক্রমবর্ধমান জ্বালানি বিল মেটানোর সামর্থ্য তাদের আর নেই। এমনটা হলে, পুরো আতিথেয়তা শিল্পে বড় ধস নামবে এবং জাতীয় বাজেটের প্রায় 50 বিলিয়ন GBP রাজস্ব হারাবে।
দর আরও বাড়লে £4,567-এর প্রক্ষেপিত ব্যবধান তৈরি হবে, যা অনিবার্যভাবে মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দেবে। অদূর ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি নতুন শিখরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুব বেশি। দেশের অভ্যন্তরীণ দামও দ্রুত বাড়তে পারে। তবে, একসময় অর্থনীতি দুর্বল হবে। তাই, ট্রেডারদের স্পষ্টভাবে বুঝে নেওয়া উচিত সংকট-পরবর্তী বাজারে কীভাবে বিনিয়োগ করতে হয়।