Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.

টানা কয়েক দিন বিয়ারিশ প্রবণতা দেখার পর, এপ্রিলের গুরুত্বপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্য সূচকের (CPI) তথ্য প্রকাশের আগে বৈশ্বিক বাজারগুলো তাদের লাভ ধরে রাখছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ইল্ডের নিম্নমুখী গতি এবং ফেডের নীতিনির্ধারকদের পরস্পরবিরোধী মন্তব্য থেকে সতর্ক আশাবাদের ইঙ্গিত মিলছে। এতে USD-এর বুলরা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে।
মার্কিন ডলারের দরপতনে সোনা ও ব্রেন্ট তেলের দাম ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে। চীনের ইতিবাচক মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান এবং সাংহাইয়ের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের খবরের জেরে ঝুঁকি নেওয়ার মনোভাব বাড়ায় অ্যান্টিপোডিয়ান মুদ্রাগুলোর দামও চাঙা হয়েছে।
তবে ডলারের দুর্বলতা থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো লাভবান হতে পারেনি। সামনে আরও বড় ধরনের কারেকশনের আশঙ্কা এবং নিয়ন্ত্রক বাধার কারণে ই-কারেন্সি প্রচলিত মুদ্রাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না—এমন প্রত্যাশা এর পেছনে কাজ করছে।
প্রধান সম্পদগুলোর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:



ফেডের মেস্টার 75 bps সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা আবারও উল্লেখ করে বুলিশ ট্রেডারদের সংযত করার চেষ্টা করলেও, বস্টিকের মন্তব্যে কড়া নীতির চাপ উপেক্ষিত হয়। গত কয়েক দিনের ব্যাপক বিক্রির পর এতে তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ স্থিতিশীল হতে সহায়তা পায়। যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির প্রত্যাশা কমে আসা এবং সাংহাইয়ের আটটি জেলায় সংক্রমণ শূন্যে নামাও বাজারের ইতিবাচক মনোভাবের পেছনে ছিল।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড ও মার্কিন ডলার কিছুটা কমেছে। এতে কয়েক দিনের সর্বনিম্ন স্তর থেকে সোনা ও অপরিশোধিত তেলের দাম ঘুরে দাঁড়ায়; এরপর AUDUSD ও NZDUSD-ও ঊর্ধ্বমুখী হয়। চীনের CPI ও PPI প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও কানাডার মুদ্রা শক্তিশালী হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্রেন্ট তেলের দর ঘুরে দাঁড়ানোয় মার্কিন ডলারের বিপরীতে CAD অতিরিক্ত সমর্থন পেয়েছে।
তবে BTCUSD ও ETHUSD আগের দিনের ঘুরে দাঁড়ানো থেকে পিছিয়ে পড়েছে। এর আগে এগুলো যথাক্রমে 10 মাস ও 4 মাসের সর্বনিম্ন স্তর থেকে পুনরুদ্ধার করেছিল। এর কারণ ক্রিপ্টো-নির্ভর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান CoinBase ও Microstrategy-কে ঘিরে হতাশার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ক্রিপ্টোবিষয়ক দমননীতি শিগগিরই শিথিল হবে না—এমন নতুন আশঙ্কাও এই অপ্রচলিত মুদ্রাগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে সতর্ক মনোভাব বুলিশ ট্রেডারদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, যদিও তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।
জোরালো বাই: USDJPY
⏬ 🔴 জোরালো সেল: Nasdaq, রূপা, AUDUSD, GBPUSD
⬆️ 🟢 ক্রয়: মার্কিন ডলার সূচক
⬇️ 🔴 বিক্রয়: DAX, FTSE 100, ব্রেন্ট তেল, সোনা, ETH/USD, BTC/USD
বিশ্বের বাজারগুলো এখন যুক্তরাষ্ট্রের CPI-র দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে এবং একাধিক বছর পর এই সূচকে কম পাঠ দেখা যেতে পারে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে। এর পাশাপাশি, জুলাইয়ে ইউরোপীয় ব্লকের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আলোচনা চলায় ECB প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দের ভাষণও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারকদের ভাষণও স্বল্পমেয়াদি বাজারের গতিপথের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তা সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির হার কমবে বলে ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে। তবে সরবরাহ সংকট ও শক্তিশালী কর্মসংস্থানের তথ্য নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। CPI বা Core CPI-র ফল শক্তিশালী হলে মার্কিন ডলারের র্যালির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সব মিলিয়ে, বাজারের মনোভাবের সাম্প্রতিক পুনরুদ্ধরকে প্রবণতা বদলের সংকেত বলা যায় না। তাই ট্রেডারদের সতর্কতার সঙ্গে ট্রেড করা উচিত।
ট্রেন্ডের সুবিধা নিন এশিয়া-প্যাসিফিকের সেরা ব্রোকার-এর সঙ্গে। আমরা চমৎকার ট্রেডিং শর্ত, উন্নত মানের Copy Trade পরিষেবা এবং বহু পুরস্কারজয়ী IB রেফারেল প্রোগ্রাম দিই।
MTrading-এর সঙ্গে নিরাপদে ট্রেড করুন এবং উপভোগ করুন সবচেয়ে অনুকূল ট্রেডিং শর্ত!
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!