লগ আউট
Are you sure you want to exist?
MTrading Team • আজ

জাপানের ছুটিতে ইশিবার নির্বাচনী ধাক্কার প্রভাব কম, USDJPY-তে পতন

জাপানের ছুটিতে ইশিবার নির্বাচনী ধাক্কার প্রভাব কম, USDJPY-তে পতন

ট্রেডাররা শান্ত, সতর্ক একটি সপ্তাহের জন্য প্রস্তুত

জাপানের ছুটি এবং Federal Open Market Committee (FOMC)-এর আগে ব্ল্যাকআউট পিরিয়ডের কারণে বাজারের ওঠানামা সীমিত থাকায়, সপ্তাহান্তের খবর সত্ত্বেও ট্রেডাররা বেশিরভাগই নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মিশ্র অর্থনৈতিক তথ্য, International Monetary Fund (IMF)-এর নতুন বিবৃতি এবং বাণিজ্যসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের কারণে এই সপ্তাহের প্রাথমিক জুলাই Purchasing Managers’ Index (PMI) প্রকাশের আগে ট্রেডাররা সতর্ক রয়েছেন।

জাপানে প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার জোট উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। ফলে সংসদের দুই কক্ষেই তাঁর সরকার সংখ্যালঘু অবস্থানে রয়েছে। অস্থির এই সময়ে নেতৃত্ব ধরে রাখার ব্যাপারে ইশিবা অনড়। তবে টানাপোড়েনপূর্ণ US-Japan বাণিজ্য আলোচনা এবং মুদ্রাস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির মিশ্র সম্ভাবনার মধ্যে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা স্পষ্ট নয়। এই রাজনৈতিক ধাক্কায় USD/JPY পেয়ারটি বাড়তে পারত। কিন্তু জাপানের ছুটি ও ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতার পাশাপাশি Bank of Japan-এর (BoJ) পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা পেয়ারটির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। টানা তিন সেশনের মধ্যে এটাই পেয়ারটির প্রথম দৈনিক দরপতন।

আটলান্টিকের ওপারে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের (WSJ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন মার্কিন বাণিজ্য আলোচক ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) কূটনীতিকদের অপ্রস্তুত করে দেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বাণিজ্যিক ছাড় চাইতে পারেন, যার মধ্যে বেশিরভাগ ইউরোপীয় পণ্যের ওপর শুল্ক 15% বা তার বেশি করার বিষয়টিও রয়েছে। এতে EU ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং জার্মানি ও EU-এর অন্য সদস্যরা ফ্রান্সের আরও কঠোর অবস্থানের সঙ্গে একমত হওয়ার দিকে এগোচ্ছে।

IMF-এর সর্বশেষ অর্থনৈতিক মূল্যায়নে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী হওয়া এবং অনিশ্চয়তা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের ওপর আরও চাপ তৈরি হচ্ছে।

ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, ইরান, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি 25 জুলাই তুরস্কে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া এবং জ্বালানি বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থানে রাশিয়া অস্বস্তি প্রকাশ করেছে, তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।

বাণিজ্যসংক্রান্ত খবরে, চীনা শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জুনে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিরল মৃত্তিকা ধাতুর চুম্বক রপ্তানি 660%-এর বেশি বেড়ে 353 মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। Nvidia চীনে তাদের H20 AI চিপের বিক্রি আবার শুরু করার পরিকল্পনাও করছে। ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা কমাতে 1 আগস্টের সময়সীমার আগে একাধিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করা যাবে বলে হোয়াইট হাউস এখনও আশাবাদী।

অর্থনৈতিক তথ্যের দিক থেকে, গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা আস্থা বেড়েছে, আর মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা কমেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা আস্থা তীব্রভাবে কমেছে, আর নিউজিল্যান্ডের মূল্যস্ফীতির তথ্যে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। এদিকে, 29-30 জুলাইয়ের FOMC বৈঠকের আগে ফেডারেল রিজার্ভের (Fed) কর্মকর্তারা দুই সপ্তাহের নীরবতার সময়ে প্রবেশ করছেন। তাঁদের বেশিরভাগই দ্রুত সুদের হার কমানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন না। Fed-এর অধিকাংশ সদস্য শুল্ক থেকে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি এবং নতুন আসা তথ্য সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন—বিশেষ করে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির মিশ্র পরিসংখ্যান প্রকাশের পর।

এই পরিস্থিতিতে U.S. Dollar Index (DXY) স্থিতিশীল রয়েছে। শুক্রবারের সামান্য দরপতনের পর সূচকটি ধরে রেখেছে, তবে দুই সপ্তাহের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এখন পরীক্ষার মুখে। সোনার দর সামান্য বেড়েছে, আর USD/JPY টানা তিন দিনের মধ্যে প্রথম দৈনিক লোকসান করেছে। অস্ট্রেলিয়ান ও নিউজিল্যান্ড ডলার মিশ্রভাবে ট্রেড করছে। গত সপ্তাহের কিছু লোকসান পুষিয়ে নিচ্ছে ক্রুড অয়েল। অন্যদিকে, দুর্দান্ত “Crypto Week” পারফরম্যান্সের পর Bitcoin (BTC/USD) ও Ethereum (ETH/USD)-এর দর সামান্য বেড়েছে। যথাক্রমে দুই ও তিন সপ্তাহ ধরে দর হারানোর পর EUR/USD ও GBP/USD-এর দিকনির্দেশনা স্পষ্ট নয়।

USDJPY-তে বিক্রেতাদের দাপট বাড়ছে

সপ্তাহান্তে জাপানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার জোট উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোয় দুই কক্ষেই তাঁর সরকার এখন সংখ্যালঘু অবস্থানে রয়েছে। এই ধাক্কা সত্ত্বেও ইশিবা দৃঢ় অবস্থানে আছেন এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও নেতৃত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

এ ধরনের অস্থিরতায় সাধারণত USD/JPY-এর দর বাড়লেও, এবার এই পেয়ারটি টানা তিন সেশনের মধ্যে প্রথম দৈনিক পতন দেখিয়েছে। জাপানের বাজারে ছুটি, রিস্ক-অফ মনোভাব এবং ব্যাংক অব জাপানের (BoJ) নীতিগত অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে দর আর বাড়তে পারেনি।

চাপ আরও বাড়িয়ে, যুক্তরাষ্ট্র জাপানের শুল্ক-সংক্রান্ত দাবিগুলো—বিশেষ করে গাড়ির ক্ষেত্রে—এখনও প্রত্যাখ্যান করছে, যা বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। একই সময়ে, 2008 সালের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে জাপানের 10-বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের (JGB) ইল্ড কমে যাওয়া, বিরোধী দলের সুদের হার কমানোর দাবি এবং কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে হতাশাজনক অভ্যন্তরীণ তথ্য—সবই বাজারের মনোভাবকে আরও দুর্বল করেছে।

সব মিলিয়ে, এসব কারণে নিকট ভবিষ্যতে ইয়েনের পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ঘটনা ও নীতিগত ইঙ্গিতের আগে ট্রেডাররা সতর্ক রয়েছেন।

সাপ্তাহিক পতনের পর EURUSD ও GBPUSD-এর স্পষ্ট দিকনির্দেশ নেই

মার্কিন ডলারের দর কমলেও EUR/USD ও GBP/USD—দুটিই চাপের মধ্যে রয়েছে। টানা যথাক্রমে দুই ও তিন সপ্তাহ দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে এই জোড়াগুলো।

EU-এর ওপর বেশি শুল্ক আরোপের জন্য Trump-এর নতুন করে চাপ দেওয়ায় Euro চাপে রয়েছে। অন্যদিকে, 20 বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্যের বাড়ির দামে সবচেয়ে বড় পতন এবং 2022 সালের পর Q2-তে ভোক্তা আস্থার সবচেয়ে বড় অবনতি British Pound-এর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

চাপ আরও বাড়ায়, এই সপ্তাহের European Central Bank (ECB) নীতিনির্ধারণী বৈঠকের আগে EUR/USD ট্রেডাররা সতর্ক রয়েছেন। অন্যদিকে, বাজার UK Retail Sales-এর তথ্য এবং EU ও UK—উভয়ের জুলাই মাসের প্রাথমিক PMI-এর অপেক্ষায় থাকায় GBP/USD স্থিতিশীল রয়েছে এবং একটি সীমিত পরিসরে লেনদেন করছে।

প্রযুক্তিগত ও মৌলিক—উভয় কারণেই ইউরো ও পাউন্ডের বুলিশ ট্রেডারদের ওপর চাপ থাকায় বাজারের মনোভাব সতর্ক রয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ডলার ঘুরে দাঁড়াতে হিমশিম খাচ্ছে

চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নতির লক্ষণ AUD/USD-কে শুক্রবারের উত্থান ধরে রাখতে সহায়তা করছে। তবে NZD/USD পিছিয়ে রয়েছে। ইতিবাচক মনোভাব থেকেও জোড়াটি সুবিধা পাচ্ছে না, কারণ শিরোনাম কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) বাড়লেও রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ডের (RBNZ) পছন্দের মূল্যস্ফীতির সূচক কমেছে।

এদিকে, শুক্রবারের দরপততির ধারা বাড়িয়েছে USD/CAD। দুই সপ্তাহের দরপততির পর কানাডার প্রধান রপ্তানি পণ্য অপরিশোধিত তেলের দামে সামান্য পুনরুদ্ধার এতে চাপ সৃষ্টি করেছে। বাণিজ্য উত্তেজনাও চাপ বাড়াচ্ছে: গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, 1 আগস্টের মধ্যে কানাডা বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত না করলে বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করা হবে। জবাবে, প্রয়োজনে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে কানাডা, যা এই পেয়ারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।

পণ্য মুদ্রাগুলো বাণিজ্যসংক্রান্ত খবর এবং মুদ্রাস্ফীতির ইঙ্গিত—দুইয়ের প্রতিক্রিয়াতেই নড়াচড়া করছে। তাই মনোভাবের পরিবর্তনের দিকে ট্রেডারদের সতর্ক নজর রয়েছে।

সোনা ও অপরিশোধিত তেলের দামে পুনরুদ্ধার

2024 সালের ডিসেম্বর থেকে চলে আসা গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট ট্রেন্ডলাইন থেকে শুক্রবারের পুনরুদ্ধার ধরে রেখেছে সোনা। দুর্বল মার্কিন ডলার, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ আশ্রয়ের চাহিদা এই ঊর্ধ্বগতিকে সমর্থন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সম্পর্কের উন্নতি, International Monetary Fund (IMF)-এর নতুন সতর্কবার্তা এবং জোরালো ভৌত চাহিদার ইঙ্গিত দেওয়া World Gold Council (WGC)-এর প্রতিবেদনও বাজারের মনোভাবকে চাঙা করছে।

এদিকে, চার দিনের দরপতনের ধারা থামিয়ে WTI ক্রুড অয়েল শুক্রবারের লাভ ধরে রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি, চীনের জ্বালানি চাহিদা নিয়ে ইতিবাচক পূর্বাভাস এবং ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে চলমান বিঘ্ন—এসব কারণে দামে সমর্থন মিলছে।

ঝুঁকি নেওয়ার মনোভাব টালমাটাল এবং সরবরাহের গতিপ্রকৃতিও প্রভাব ফেলায় বাজারের নজরের কেন্দ্রে রয়েছে কমোডিটি।

ক্রিপ্টোকারেন্সির দামে সামান্য উত্থান

সোমবারের শুরুতে Bitcoin (BTC/USD) ও Ethereum (ETH/USD)-এর দামে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকার GENIUS Bill পাস করার পর বুলিশ মনোভাব ফিরে আসায় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো সমর্থন পেয়েছে। GENIUS Bill হলো বিশ্বের প্রথম আনুষ্ঠানিক ক্রিপ্টো আইন।

গত সপ্তাহে বিটকয়েন অল্প সময়ের জন্য নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছালেও সামান্য লোকসান নিয়ে দিন শেষ করেছে। অন্যদিকে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রবাহ, টেকনিক্যাল ব্রেকআউট এবং শক্তিশালী অন-চেইন সূচকের প্রভাবে Ethereum 25%-এর বেশি বেড়েছে।

গত সপ্তাহকে “ক্রিপ্টো সপ্তাহ” বলা হলেও, এখন বাজারে কনসোলিডেশন দেখা যাচ্ছে। তীব্র র‍্যালির পর এতে ক্রিপ্টোর ক্রেতারা আবার প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ ওঠানামা

  • দুর্বল লেনদেনের দিনে WTI অপরিশোধিত তেল প্রায় $66.00-এ সামান্য বেড়েছে। আগের দিনের উত্থান ধরে রেখেছে এটি।
  • সোনার দাম অর্ধ শতাংশেরও বেশি বেড়ে $3,370 হয়েছে। প্রেস টাইমে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম ঊর্ধ্বমুখী।
  • শুক্রবারের কিছুটা দুর্বল সমাপ্তির পর USD Index 98.35-এর কাছাকাছি অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে, যদিও সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল।
  • ওয়াল স্ট্রিটে লেনদেন মিশ্রভাবে শেষ হয়েছে, তবে চীনের নেতৃত্বে এশিয়া-প্যাসিফিকের শেয়ারবাজারে সামান্য উত্থান হয়েছে। অন্যদিকে, দিনের শুরুর লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের বাজারে স্পষ্ট কোনো দিক দেখা যায়নি।
  • BTCUSD বেড়ে আবার $118,500-এ ফিরেছে, ফলে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রথম সাপ্তাহিক দরপতিতে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে, মে মাসের শুরু থেকে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক উত্থানের পর ETHUSD দিনে 1.0% বেড়ে $3,800-এ পৌঁছেছে।

সামনে নিষ্প্রাণ একটি দিন…

সোমবারের অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তেমন কিছু নেই; শুধু Bank of Canada (BoC)-এর Business Outlook Survey প্রকাশিত হবে। Federal Reserve-এর বৈঠকের আগে নীরবতার সময়কাল, জাপানের বাজার বন্ধ থাকা এবং European Central Bank (ECB)-এর বৈঠক ও জুলাইয়ের PMI-র প্রাথমিক তথ্য প্রকাশের আগে সতর্ক মনোভাব—সব মিলিয়ে বাজারে নীরবতা আরও বাড়বে।

নতুন অর্থনৈতিক ডেটা কম এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘনিয়ে আসায় ঝুঁকি নেওয়ার মনোভাব ভঙ্গুরই থাকতে পারে, যা শেয়ারবাজার ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লাভের সম্ভাবনা সীমিত করতে পারে। তবে মার্কিন ডলারের জোরালো পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা কম। এতে প্রধান মুদ্রা, সোনা, USD/JPY এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মুদ্রার আরও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাজার এখন অপেক্ষা করে পরিস্থিতি দেখছে—তবে সামান্য ওঠানামাও সামনে অস্থির একটি সপ্তাহের সুর ঠিক করে দিতে পারে।

শীর্ষস্থানীয় অ্যাসেটগুলোর পূর্বাভাস

  • বুলিশ মুভের সম্ভাবনা: USDCAD, Gold, BTCUSD, USDJPY, Nasdaq, ETHUSD
  • আরও দরপতনের সম্ভাবনা: USDCHF, BTCUSD, ETHUSD
  • সীমিত পরিসরে ওঠানামার সম্ভাবনা: Nasdaq, DJI30, USDCNH, AUDUSD, NZDUSD, US Dollar
  • ধীরগতির & ক্রমশ পতনের আশঙ্কা: DAX, FTSE 100, EURUSD, ক্রুড অয়েল, GBPUSD

ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!