লগ আউট
Are you sure you want to exist?

নতুনদের জন্য ট্রেড ট্রিগারের সংজ্ঞা

ট্রেড ট্রিগার হলো এমন একটি ঘটনা, যা অন্তর্নিহিত অ্যাসেটের সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে একটি ট্রেড চালু করে। এটি মূলত স্টক ট্রেডারদের কাজে লাগে, তবে যারা ইনডেক্স বা অপশনে ট্রেড করেন, তাঁদের জন্যও এটি খুব উপযোগী হতে পারে। ট্রেড ট্রিগারের একাধিক ধরন রয়েছে। যেমন, এটি কোনো নির্দিষ্ট স্টকের দামের ওঠানামা বোঝাতে পারে। আবার, লক্ষ্য করা ইনডেক্সগুলো পূর্বনির্ধারিত স্তরে পৌঁছালে বা তা অতিক্রম করলে, এটি পুরো বাজারজুড়ে হওয়া কার্যক্রমও বোঝাতে পারে।

None

এই নিবন্ধে, ট্রেডাররা ট্রেড ট্রিগার ব্যবহার করে কীভাবে উপকৃত হতে পারেন, তা বোঝাতে আমরা এর প্রধান ধরন ও উদাহরণ তুলে ধরব। এ ছাড়া, এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা উচিত কি না তা নির্ধারণ করতে এর প্রধান সুবিধা ও অসুবিধাগুলোও পর্যালোচনা করব।

ট্রেড ট্রিগার কী?

আগেই বলা হয়েছে, ট্রেড ট্রিগার হলো একটি নির্দিষ্ট ঘটনা, যা বাজারের নির্দিষ্ট পরিস্থিতি ও পূর্বনির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করবে বলে আশা করা হয়। অতিরিক্ত ইনপুট বা হাতে-কলমে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ট্রেড (লেনদেন) চালু করার স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়।

সহজভাবে বললে, বাজারে কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতি—যেমন কোনো সিকিউরিটি বা ইনডেক্সের দামের পতন বা বৃদ্ধি—তৈরি হলে ট্রেড ট্রিগার ঘটে। এই পরিস্থিতিগুলো পূরণ হলে ধারাবাহিকভাবে ট্রেড চালু হয়। নির্দিষ্ট ধরনের ট্রেড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেট করতে বিনিয়োগকারীরা এই কৌশল ব্যবহার করেন। যেমন, কোনো অ্যাসেটের দাম নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছালে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্রি বা কেনার জন্য এই কৌশল ব্যবহার করা যায়।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

যে বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন:

  • বাজার নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করলেই কেবল ট্রেড ট্রিগার কার্যকর হয়।
  • পূর্বনির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে এটি স্বয়ংক্রিয় লেনদেন শুরু করে।
  • এই কৌশলে ট্রেডের জন্য অতিরিক্ত ইনপুটের প্রয়োজন হয় না।
  • এটি প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি—দুই ধরনের অর্ডারই চালু করে।
  • ট্রেড ট্রিগার ব্যবহার করলে ট্রেডিং কৌশলে বাড়তি শৃঙ্খলা যোগ করা যায়।

বিভিন্ন ধরনের ট্রেড ট্রিগার ব্যবহারের কারণ

ট্রেড ট্রিগারের ধরন অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সর্বোত্তম বাজারে প্রবেশ ও প্রস্থান পজিশন নির্ধারণ করতে পারেন। অভিজ্ঞ ট্রেডাররা কন্টিনজেন্ট অর্ডার দেওয়ার জন্য এই টুল ব্যবহার করেন। প্রথম অর্ডারটি কার্যকর হলে, দ্বিতীয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়। আগে থেকে নির্ধারিত কিছু বাজার পরিস্থিতি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এটি সক্রিয় থাকে।

ট্রেড ট্রিগারের উদাহরণ: ধরুন, চলমান অ্যাসেটের দামের দুই পাশে অর্ডার দিতে আপনি একটি OCO অর্ডার দিতে চান। অর্ডারের একটি দিক কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অন্য দিকটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। একই সময়ে, ট্রেডার মোমেন্টামের দিক অনুসরণ করে বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

ট্রেড ট্রিগারের ধরন

আপনি যে অ্যাসেটে ট্রেড করেন, তার ওপর ট্রেড ট্রিগারের ধরন নির্ভর করে। এ ছাড়া, পূরণ করতে হবে এমন শর্ত ও মানদণ্ডের ওপরও এটি নির্ভর করতে পারে। নিচে কয়েকটি জনপ্রিয় ট্রেড ট্রিগারের ধরন দেওয়া হলো:

  • স্টক ট্রেড ট্রিগার – সাধারণত স্টকের দামের ওঠানামার সঙ্গে সম্পর্কিত এই ট্রিগারটি দাম নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছালে চালু হয়। সাধারণত এর সঙ্গে একটি সময়সীমা যুক্ত থাকে, যেখানে বলা থাকে “এই অর্ডার বাতিল না করা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে” অথবা “এই অর্ডারটি দিনের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে”। একই সঙ্গে, ট্রেড ট্রিগার চালু করে বিনিয়োগকারীরা আরও জটিল কৌশল ব্যবহার করতে পারেন। এখানে আপনি নিজের মতো করে বিভিন্ন স্তর নির্ধারণ করতে এবং পছন্দের অ্যাসেটে ভালো সুযোগ শনাক্ত করলে ট্রেড ট্রিগার ব্যবহার করতে পারেন।
  • ইনডেক্স ট্রেড ট্রিগার – লং বা শর্ট পজিশনে ট্রেড করার ট্রিগার হিসেবেও ইনডেক্স ব্যবহার করা যায়। ইনডেক্সের ওঠানামা স্টকের দামের ওপর কোনোভাবে প্রভাব ফেলতে পারে বা এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে মনে হলে ট্রিগার সেট করতে পারেন। আপনাকে শুধু পছন্দের শর্ত নির্ধারণ করতে হবে, অথবা একটি লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে (যেমন, ডাও নির্ধারিত স্তরে উঠলে একটি স্টক বিক্রি করা)।

সারসংক্ষেপ

একদিকে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেড সম্পন্ন বা চালু করার জন্য ট্রেড ট্রিগার একটি কার্যকর টুল হতে পারে। তবে অন্য যেকোনো বিনিয়োগ কৌশলের মতো, এই নির্দিষ্ট টুলটি ব্যবহারের সময়ও আপনাকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। আগে নেওয়া পজিশন ও ট্রেডিংয়ের পরিকল্পনার কথা ভুলে যাওয়া একটি সাধারণ ভুল, যার ফলে অপ্রত্যাশিত ক্ষতি হতে পারে।

আগের পজিশনগুলো পর্যালোচনা করা ভালো। এ ছাড়া, ট্রেড ট্রিগার ব্যবহার করার সময় দিনের মধ্যে কার্যকর থাকে এমন অর্ডারের দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময়সীমায় সফল ট্রেডিং কৌশল সাজানো কঠিন হতে পারে। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে, এই পদ্ধতি আগে থেকে নির্ধারিত শর্তসহ একটি স্বয়ংক্রিয় অর্ডার সিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে, যা দীর্ঘ সময় ধরে প্রাসঙ্গিক থাকতে পারে।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।