লগ আউট
Are you sure you want to exist?

নতুনদের জন্য ট্রেডিংয়ে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার 3টি কার্যকর টুল ও পরামর্শ

আপনার কৌশলের সঙ্গে কার্যকর ফরেক্স ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার টুল যুক্ত আছে—এটা জানলে আপনার আত্মবিশ্বাস অবশ্যই বাড়বে। পাশাপাশি, একবারেই আপনার পুরো মূলধন হারানোর ঝুঁকি কমবে। আপনি যে অ্যাসেটেই ট্রেড করুন না কেন, তা এতে কিছু আসে যায় না। সামান্য মুনাফার পর অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস এবং ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ব্যর্থতার কারণ হতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আগে থেকে তৈরি ট্রেডিং প্ল্যান মেনে চলার মতো শৃঙ্খলা খুব কম নতুন ট্রেডারেরই থাকে।

None

তাই, আজ আমরা কার্যকর ডে ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কয়েকটি সবচেয়ে দক্ষ ও ব্যবহারিক টুল এবং পরামর্শ পর্যালোচনা করে ব্যাখ্যা করব। কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কৌশল আপনাকে বাজারকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে, বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেগুলো অর্জন করতে সাহায্য করবে।

কার্যকর ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য আপনার প্রয়োজন হতে পারে এমন সরঞ্জাম

প্রত্যেক নতুন ট্রেডারের কয়েকটি মৌলিক পরামর্শ জানা উচিত। বেশিরভাগ ওয়েবসাইটে শুধু সাধারণ তথ্য দেওয়া হয়—যেমন পরিকল্পনা মেনে চলা এবং যতটা হারানোর সামর্থ্য আছে, তার বেশি বিনিয়োগ না করা। তবে কিছু রিসোর্সে ট্রেডিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কার্যকর ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ পাওয়া যায়। নিচের ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সরঞ্জামগুলো বাস্তব বাজার পরিস্থিতিতে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

1. মূলধনের সীমা নির্ধারণ করুন

প্রথম পরামর্শটি সুপরিচিত, তবে নতুন ট্রেডাররা প্রায়ই এটি উপেক্ষা করেন। আপনি হাজার হাজার ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা না করলেও, ব্যালান্সে যোগ করার জন্য হাতে মাত্র কয়েকশ ডলার থাকলেও, তার মানে এই নয় যে মূলধনটি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার যোগ্য নয়।

তাই প্রথমে ঠিক করুন, আপনি কতটা বিনিয়োগ করতে পারবেন। অন্যভাবে বললে, আপনার বাজেটের ক্ষতি না করে ট্রেডিংয়ে কত টাকা বরাদ্দ করতে পারবেন, তা নির্ধারণ করুন। রিয়েল এস্টেট বা বন্ডে বিনিয়োগ করা আলাদা বিষয়। এখানে মূলত ডে ট্রেডিং এবং অল্প সময়ের মধ্যে কয়েক ডজন অর্ডার কার্যকর করার কথা বলা হচ্ছে।

অভিজ্ঞ ট্রেডাররা সাধারণত বিনিয়োগ ও ট্রেডিংয়ের পরিকল্পনা আলাদাভাবে করেন, কখনোই একসঙ্গে মেলান না।

বাজেট পরিকল্পনা কিছুটা সহজ করতে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করুন:

  1. আপনার বর্তমান বাজেটের চাহিদা ও খরচ।
  2. ট্রেডিংয়ের সামগ্রিক উদ্দেশ্য (আপনি কি শখের জন্য ট্রেড করেন, নাকি ফুল-টাইম ট্রেডার হতে চান)।
  3. আপনি কি ঝুঁকি নেওয়ার মতো যথেষ্ট মানসিকভাবে প্রস্তুত? চাপের পরিস্থিতি ও লোকসান কীভাবে সামলাতে পারবেন?
  4. আর্থিক বিষয়ে আপনার কোনো অভিজ্ঞতা বা ট্রেডিংয়ের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে কি?

মূলধনের সীমা নির্ধারণ এবং ট্রেডিং বাজেট পরিকল্পনার সময় আপনার সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়টিও বিবেচনা করুন।

2. স্ট্রেস টেস্ট করুন

চাপের পরিস্থিতি সামলাতে আপনি প্রস্তুত কি না, তা বোঝার একমাত্র উপায় হলো অনুশীলন। তাই নিজেই একটি স্ট্রেস টেস্ট করা ভালো। বাজার আপনার বিপরীতে গেলে সম্ভাব্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে কী ব্যর্থতা ঘটতে পারে এবং আপনার মূলধন থেকে সর্বোচ্চ কতটা লোকসান হতে পারে, তা হিসাব করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

এ ছাড়া, সর্বোচ্চ লাভজনক অবস্থানে পৌঁছানোর পরপরই লোকসান হচ্ছে—এমন পরিস্থিতি কল্পনা করুন। মানসিকভাবে তা সামলাতে পারলে, আপনি পরবর্তী ধাপে এগোতে পারেন। যা-ই ঘটুক, জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহার করার জন্য আপনার কাছে সব সময় কিছু নগদ অর্থ থাকা উচিত। ডে ট্রেডিংয়ের জন্য সবচেয়ে উন্নত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সরঞ্জাম থাকলেও, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।

নতুন ট্রেডারদের বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে শুরু করা উচিত নয়। তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো, কৌশল কতটা সফল হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে ধীরে ধীরে অর্থের পরিমাণ বাড়ানো।

3. স্লিপেজ এড়িয়ে চলুন

বিভিন্ন ধরনের স্টপ লস অর্ডার (ট্রেডিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে কার্যকর সরঞ্জামগুলোর মধ্যে অন্যতম) ব্যবহার করলেও ঝুঁকিমুক্ত এক্সিকিউশনের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না। অর্ডারে আগে থেকে নির্ধারণ করা দামের চেয়েও খারাপ দামে অর্ডারটি কার্যকর হতে পারে। এই দামের পার্থক্যের কারণে অর্থের লোকসান হবে। এই পরিস্থিতিকে স্লিপেজ বলা হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, আর নির্দিষ্ট পরিমাণে সীমাবদ্ধ করলেও স্টপ লস অর্থহীন হয়ে যেতে পারে।

4. পজিশনের আকার স্থির রাখুন

এই পদ্ধতিতে প্রতিটি নতুন ট্রেডের জন্য পজিশনের সাইজ হিসাব করা হয়। এতে প্রাথমিক স্টপ লস লেভেলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতি স্থির করে নিতে পারবেন। নির্দিষ্ট শতাংশভিত্তিক পজিশন সাইজ ব্যবহার করার প্রধান সুবিধাগুলো হলো:

  • ব্যর্থ হলে এটি তুলনামূলক ছোট পজিশন নিতে সাহায্য করে।
  • এটি আপনার ট্রেডিং ক্যাপিটাল ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  • এটি পজিশনের সাইজে হঠাৎ বড় পরিবর্তন এড়াতে সাহায্য করে।
  • প্রতিবার মুনাফা হওয়ার পর ধীরে ধীরে পজিশনের সাইজ বাড়াতে এটি সাহায্য করে।

এই সহজ পরামর্শগুলো মেনে চললে আপনি তুলনামূলকভাবে নিরাপদে ট্রেড করতে এবং ধীরে ধীরে আপনার ক্যাপিটাল বাড়াতে পারবেন। একই সঙ্গে, ট্রেডাররা ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।